April 19, 2026, 6:39 pm

শৈলকুপা থেকে ডাকাতি হওয়া পাটভর্তি ট্রাক উদ্ধার, গ্রেফতার-৭

জাহিদুর রহমান তারিক, স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-ঝিনাইদহের শৈলকুপা থেকে ডাকাতি হওয়া পাট ভর্তি ট্রাক উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৭ জনকে। শনিবার বিকাল থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত খুলনার ফুলতলা, যশোরের চুরামনকাটি ও ঝিনাইদহ সদরের কলমনখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে লুণ্ঠিত মালামাল ও আসামীদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো-ঝিনাইদহ সদর উপজেলার লৌহজং গ্রামের মৃত রজব আলী জোয়ার্দ্দারের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫০), পাগলা কানাই এলাকার কালু মিয়ার ছেলে পিন্টু মিয়া (২৮), স্বপন রায়’র ছেলে সুজন রায় (৩৮), কলামনখালী গ্রামের ইদ্রিস মোল্লার ছেলে ইমরান খান সাগর (২৫), হাটগোপালপুর গ্রামের মৃত মতিয়ার জোয়ার্দ্দারের ছেলে মনিরুল জোয়ার্দ্দার (৪২), পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা গ্রামের আবু বক্করের ছেলে আব্দুস সালাম (৩০) ও পাবনা সদর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের কাউছার প্রামানিকের ছেলে নাহিদ হাসান (২৮)। শৈলকুপা থানার ওসি (তদন্ত) মহসীন হোসেন জানান, গত বুধবার রাতে পাবনা থেকে যশোর গামী আকিজ জুট মিলের একটি পাট বোঝাই ট্রাক লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল। এ ঘটনায় আকিজ জুট মিল কর্তৃপক্ষ শুক্রবার শৈলকুপা থানায় মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরর পর খুলনা ফুলতলা ও ঝিনাইদহ সদরের কলমন খালী এলাকা থেকে লুন্ঠিত পাট ও যশোরের চুরামনকাটি এলাকা থেকে ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার করা হয় এর সাথে জড়িত ৭ জনকে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা